সমকালীন
ছবির জগতে ইমেজ মেকিং একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিগ্রহন করতে চলেছে। সমকালীনতাকে ছাপিয়ে
ছবির ইতিহাস যা কিনা চিরন্তন হওয়ার দাবী রাখে সেখানে দাঁড়িয়ে ছবির ইমেজ মেকিং কতটা
ভাষ্বর ভূমিকা প্রতিপালন করবে সে কথা বলার সময় এখনো আসে নি। কিন্তু সমকালীনতা ছুটছে
ইমেজ মেকিংকে নতুনভাবে প্রতিষ্টা করার মধ্য দিয়েই। এমতাবস্থায় দাঁড়িয়ে ভারতীয় তথা বিশ্ব
শিল্পকলার জগতে প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে ছবির ইতিহাসের খুঁটিনাটি পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে
ওয়াকিবহাল হওয়ার। ইতিহাস বিচ্যুত শিল্পকলার চর্চা অনেক বেশী করে আর্টিস্টদের ঠেলে দিচ্ছে
ইমেজ মেকিংয়ের দিকে। ফলত ছবির সনাতন ঘরানাগুলোকে টিকে থাকতে হচ্ছে যুদ্ধ করে। এ প্রসঙ্গেই
যদি কলকাতার প্রাচীন তেলরঙের ছবিগুলো নিয়ে আলোচনা করা যায় দেখা যাবে বহু ছবির খোঁজ
এখন সঠিকভাবে কেউ রাখেই না। কলকাতার প্রাচীন তেলরঙের ছবির পাশাপাশি এই সময় দরজার পাল্লা
ও জানালার শার্সিতে আঁকা ধর্মীয় ও পৌরাণিক ছবি খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। কিন্তু এই ছবিগুলকে
নিয়ে আলোচনা তথা সমালোচনা কোনোটাই বিশেষভাবে হয় নি। কেবলমাত্র জয়া আপ্পাস্বামীর একটি
ছোট লেখা ছাড়া এ বিষয়ে কোনো লেখাও আর হয়েছে বলে জানা নেই। কলকাতার এই তৈলচিত্রগুলো
সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণই হল এই ইমেজ মেকিংয়ের গোড়ার বিবর্তনটিকে
ধরতে চাওয়া বাংলার ছবির ক্ষেত্রে। ধর্মীয় ও পৌরাণিক কাহানী নিয়ে শার্সীতে ছবি বাগবাজারের
নন্দলাল আর পশুপতি বসুর বাড়ী ছাড়া কোথাও দেখা যায় না। শৈলীর দিক হতে এই ছবিগুলোতে কালিঘাট
শিল্পের সঙ্গে যেমন সাদৃশ্য আছে তেমনি এর সুক্ষূতা কিন্তু রাজস্থানের মিনিয়েচার ফরম্যাটের।
যাই হোক কথা হচ্ছিল ইমেজ মেকিং নিয়ে, তো ইমেজ মেকিংয়ের গোড়ার কাহানী চিত্রগুলি কালীঘাট
পটুয়াদের কাছ থেকে যে সুচারু বিভঙ্গে আমরা পাচ্ছি তারই বিবর্তিত মনন বর্তমান ইমেজ মেকিংয়ের
মধ্যে ধরা পড়ে। কালীঘাট শৈলীর বিখ্যাত ছবি বিড়াল তপস্বী যার ইমেজ মেকিং সেন্স ও ডাইমেনশন
এখনো বিশ্ম্য় উৎপন্ন করে। আর এখানেই ডাইমেনশন নতুন দিকে যেমন অগ্রসর হয়েছে তেমনি ছবির
রিপ্রেজেনটেশন ভ্যালু ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে হয়। একথা ঠিক যে এই অভাগা বঙ্গে তৈলচিত্রের
ভবিষ্যত আর নেই বললেই চলে। বাজার অধিগ্রহন করেছে অ্যাক্রেলিক ও ডিজিটাল প্রিন্ট মিডিয়াম।
কালীঘাট
তৈলচিত্রের পাশাপাশি ইমেজ মেকিংয়ে আরেকটি বড় ভূমিকা পালন করেছে এই বঙ্গের কাঠ খোদাই
শিল্প। কাষ্ঠ খোদাইয়ের অবয়ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। কাঠের শিল্পের একটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবতা
রয়েছে। অবয়ব ছাড়া সেখানে অন্য কোনো ইমেজ প্রভাব বিস্তার করে নাই। রেখা সেখানে মান্যতা
পেয়েছে। আমদের দেশে রেখা আলোর অংশ। রেখা আমাদের দেশে আলোর অস্বিত্বকেই প্রমাণ করে,
আলোকেই বর্ণনা করে। আবার একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি হতে সেই রেখাকেই দেখলে দেখবো কালীঘাট
পটে রেখা, কাঁপা কাঁপা রেখা- যা সমস্ত ছবিকে বিস্তার করে। এইসব রেখার চলন সকল অবয়বের
ডৌলত্ব ও আলোর রূপকে ব্যক্ত করে থাকে। এখানেই প্রথম বোঝা যায় যে ফ্ল্যাট রেখার চাইতে
চরিত্র প্রাপ্ত হয়ে এই রেখাগুলো ছবিকে উত্তীর্ণ করেছে অনেকাংশে। এইভাবে রেখার ঘনত্ব
ও রেখার চরিত্র দ্বারা ইমেজ মেকিংকে সমিচীন যুগপদ করে তুলেছিলেন কালীঘাটের পটুয়ারা।
বাংলার ইমেজ মেকিং আদিম সত্যকে এইভাবে তুলে ধরেছিল রেখার গুনাগুনে।আমরা আমদের ইন্দ্রিয়
দ্বারা সকল বস্তুকে বিভিন্ন রূপে গ্রহণ করে থাকি। ইন্দ্রিয়জ অভিজ্ঞতা থেকে যে রেখা
উঠে আসে সেই রেখার বোধ ও ভাবাবেগের পরিসর অনেক দূর ব্যপত। শিল্পের ক্ষেত্রে এইভাবে
রেখা এবং রেখাকে ছুঁয়ে ইমেজ মেকিং গাম্ভীর্য ও রসবোধের সঞ্চার করে থাকে ছবিতে। স্বাভাবিক
বোধ ও মার্জিত রুচির এক্ষেত্রে ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। রেখার চলন যেহেতু আকর্ষক সে ক্ষেত্রে
মননের বাইরে রেখার রুচির বিকার প্রায়শই ঘটতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে রেখার চলনকে ইন্দ্রিয়জ
রুচি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে দেখলে ইমেজ মেকিংকেও দেখা যাবে অনেক সদর্থক অর্থে। এ ক্ষেত্রে
বলা যায়- The principle of judgement depends upon experience and observation and
not upon the strength or weakness of a natural faculty and it is form this
difference in knowledge that we commonly call a difference in teste proceeds. (Philisophical
Enquiry into the Origin of Ideas of the Sublime and Beautiful, by Burke.) রেখায়
তাই সুন্দর বস্তুকে সুন্দর দেখায়। সৌন্দর্যের দুটি স্থান তাই পরিলক্ষিত হয়, একটি পরিস্ফূর্তি
বা প্রকাশ(Expression) অন্যটি হল সত্য বা Truth. এইভাবে এই দুয়ের চর্চা ব্যতীত চিত্রীর
শিল্পে সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটা সম্ভবপর নয়। এই দুয়ের মধ্যে অর্থাৎ জ্ঞানবৃত্তি ও ইচ্ছাবৃত্তির
মধ্যে সামঞ্জস্য সংঘটিত করা সম্ভবপর। কান্ট এই সৌন্দর্যবৃত্তির অনুশীলনকে জাজমেন্টের
অন্তর্গত করেছেন। এইভাবে উঠে এসেছে উদাত্ত রস তথা গাম্ভীর্য রস। রসবোধ হল অতএব সেই
অমোঘ পদসঞ্চার যা রেখার ভবিষ্যতকে সুনির্দিষ্ট করতে তৎপর হয়। রস ও রসবোধের আড়ালে আধুনিককালে
রেখার প্রয়োগ বৈচিত্র্য নতুন মাত্রা প্রসার করেছে। ছবিতে বাস্তবকে ভেদ করার সর্ব্বধিক
প্রয়োজনীয় উপকরণ হিসেবে সামনে উঠে এসেছে ইমেজ মেকিং।
ভারতীয়
আর্য সভ্যতার হাতে শিল্পকলা তথা রসবোধ যেভাবে সঞ্চরণশীল, ভারতের অনার্য শিল্পকলা ততোধিক
উল্টোপথে নিজের সৃজনকে পরিব্যপ্ত করেছে। অনার্য শিল্পকলার ক্ষেত্রে রেখার যে দাপট লক্ষ্য
করা যায় তার রূপান্তরণের সীমা ইন্দ্রিয়জ উপলদ্ধিকে করে তুলেছে অমোঘ। অপ্রত্যাশিত এবং
অনাকাঙ্খিত রেখার চমক সৌন্দর্য সৃষ্টিকে করে তুলেছে অনুভূতি ও আবেগের যুগপদ অন্তঃকরণ
স্বরূপ। রবীন্দ্রনাথের ছবির উদাহরণ এক্ষেত্রে এক অবশ্যম্ভাবী সৃষ্টির ক্রিয়াকে আমাদের
সামনে প্রকট করে তোলে। রবীন্দ্রনাথের ছবির চলন তার রেখা ও রঙের অস্ফূট আভিব্যক্তি অনুমানকে
পরিণত করেছে সত্যে। এই সত্য ছবির সত্য, এ সত্য রেখার, আবহের, রঙের তথা অভিব্যক্তির।
ওরিয়েন্টাল স্কুলের পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের এই ছবির জগত ইমেজ মেকিংয়ের সনাতন রূপটিকে
প্রত্যক্ষ সম্বন্ধপ্রনালীর সংহত প্রকাশ রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে। রেখার সর্ব্বৈব সত্য
এক্ষেত্রে রসবোধের আড়ালে মান্যতা প্রদান করেছে কল্পনাকে। কল্পনার দাপট রূপকে রূপান্তর
করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে ওঠে। এইভাবে কল্পনা হয়ে ওঠে অভিজ্ঞতার সমষ্টি। অভিজ্ঞতা নিজস্ব
গেস্টাল্টকে অব্যাহত রাখে আত্ম্পরিচয়ের মধ্য দিয়ে। ফলত শিল্পের সেলফ রিয়ালাইজেশন চিত্রীকে
করে তোলে সংশ্লিষ্ট ছবির প্রতি তাত্তিকসত্তাবিহীন। আর এখানে এসেই ঠিক ঠিক অর্থে যাপনের
নক্সা অঙ্কিত হওয়ার তুলনায় আলাদা ভাবে ধরা দেয় ইমেজ মেকিং। কিন্তু এই পথ চির রহস্য
ঘেরা। রবীন্দ্রনাথের ছবির স্পর্শ চেতনা বিচিত্রতার পথে কখনোই দর্শককে নিয়ে যায় না বরং মনকে নিবিষ্ট করতে সাহায্য করে প্রকৃত সৌন্দর্যবোধের
ঝোঁককে স্বীকৃতি দিতে। আর এইভাবে রবীন্দ্রনাথের ছবির রেখা ও রঙের স্পর্শের মধ্য দিয়ে
এসে লজিকাল ফ্যাকাল্টি ইমেজ মেকিংকে প্রতিষ্টিত করে সৌন্দর্য নিরীক্ষণে।
বাংলায়
রেখার কাজের অন্যতম পথিকৃত নন্দলাল বসু এবং তাঁর লিনোকাটের কাজগুলকে নিয়ে পর্যালোচনা
না করলে ইমেজ মেকিং অনেকটাই অসম্পূর্ন থেকে যায়। ওরিয়েন্টাল স্কুলের অনেক সদস্যই এই
উডকাট তথা লিনো কাটের কাজের মধ্য দিয়ে এক্সপ্রেশনকে এক অন্য মাত্রা প্রদান করেছেন।
প্রকাশ এখানে আর্টের এক অবিচ্ছেদ্য অংশরূপে সৌন্দর্যবোধকে অনুভূতির অন্তরালে নিয়ে আসে।
সহজ সরল রেখার দাপটে বিপর্যস্ত করে ইনটিউশনকে। এক্সপ্রেশন হয়ে ওঠে একান্ত মান্যতার
অভিব্যক্তি স্বরূপ। সকলেই বিশ্বাস করে যে রঙের আলাদা মাধুর্য রয়েছে। রঙের জন্য রঙকে
প্রকাশ করা একথা যেমন সত্য তেমনি লিনোকাটের সাদা কালো কাজগুলো অথবা সহজ পাঠের রেখার
কাজ গুলো কিন্তু সাদা কালো হওয়া সত্ত্বেও রঙের মাধুর্য্যের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত।
রঙ তাই ইমেজ মেকিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গিকে যথাযথভাবে বুঝতে সাহায্য করে যার যাত্রাপথ শুরু
সাদা কালো ছবির হাত ধরে। তথাপি ইমেজ মেকিংয়ের সর্বাপেক্ষা বিকৃতির জায়গা ধরা থাকে এই
রঙের প্রয়োগের মধ্যেই।
কমল
কুমার মজুমদার তাঁর বঙ্গীয় শিল্পধারা ও অনান্য প্রবন্ধ গ্রন্থে বলেছেন যে- “রঙের স্পন্দন
একদিক হইতে সর্ব্বৈব সত্য অন্য দিক হইতে তেমনই আংশিক সত্য। কেননা বস্তুর বাস্তবতা যেখানে
দূরে পড়িয়া থাকে শুধু কতগুলি ছন্দময় রঙ সৃষ্টি করিয়া একটি মায়ার সৃষ্টিই হয়, বাস্তব
সমস্ত কিছু আসিলেই ছবির লক্ষণযুক্ত হইবে। তাই ঠিক রূপটা ওখানে আসে নাই, সূর্য্যালোকের
ব্যাপার লাবন্য বিষেশত্ব হিসেবেই আছে, আলো ঠিক এখানে ওখানে সেখানে পড়িয়াছে, ব্যক্তিগতভাবে
তাহাকে দেখানো হইয়াছে। আলোর যে গভীরতা ঠিক ছবির সীমা ধরিয়া আসে নাই। আমরা তো তাহাকে
একটা ছল আলোক ফেলিয়া ঠিক হইয়াছে বলি, সেটাও দেখা যাইবে একটি স্মৃতি আলোক ফেলিয়া বেশ
দক্ষতার সঙ্গে আঁকা। কোথাও আলো আর রঙের লীলাটা তেমনভাবে স্থান সংগ্রহ করিতে পারে নাই।’’
– ইমেজ মেকিংয়ের ক্ষেত্রে এই ব্যাখ্যাটির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রচ্ছন্ন ইমেজ মেকিং হতে
কিভাবে রঙ ও আলো নিজ নিজ দিশা খুঁজে নিতে তৎপর হয় ওপরের অংশটুকু পঠনেই তা প্রত্যক্ষভাবে
ধরা পড়ে। ফলে রঙের খেলা কেন্দ্রীভূত হয়ে যায় অবয়বকে ঘিরে। অবয়ব যখন ইমেজ মেকিংয়ের মুখ্য
বিষয় হিসেবে উঠে আসে তখনই রঙ ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিজের ক্ষমতাটুকুকে প্রকাশিত করতে পারে মাত্র
তার বেশী কিছু হয়ে ওঠার ক্ষমতা রঙ হারিয়ে ফেলে। সাম্প্রতিক ছবির জগতে এই প্রকাশ ক্রমশ
বিস্তার লাভ করেছে বলে ইমেজ মেকিং নিয়ে সন্দিহান দৃষ্টি উঠে আসে।
অন্য
প্রান্তে রয়েছে অনার্য শিল্পকলারীতি যেখানে সরল কিছু রেখা অমোঘ স্পর্শের কথা নতুন ডাইমেনশনের
দিক নিয়ে ইমেজ মেকিংকে করে তুলেছে শক্তপোক্ত ভীত্তির ওপর যথাযথভাবে ক্রিয়াশীল। অনার্য
শিল্প কথার সারেই রয়েছে রেখা ও তার গতিপ্রকৃতি।
রেখা সৌন্দর্যবোধ সৃষ্টিতে এক সতন্ত্র বৃত্তি তৈরী করতে সক্ষম। স্বকীয় অখন্ডতার মধ্যে
রস বোধ উপভোগ করার জন্য অবলম্বন হিসেবে উঠে এসেছে রেখার চলন। ক্রিয়েশন অনার্য শিল্পকলা
পদ্ধতির একটি অন্তরের দৃষ্টি স্বরূপ। যেখানে ছবিতে কতগুলো রঙের সংমিশ্রন কেবল ঘটে না,
রসেরও তাৎপর্য ছবিকে করে তোলে বাগ্ময়। অনার্য শিল্পের কন্টেন্ট ও ফর্মের দিক হতে তাই
ইমেজ মেকিং অনেক শক্ত প্রকাশ ভঙ্গিমাকে আশ্রয় করে নিজের উন্মিলন ঘটায়। ছবি এইভাবে মূর্ত
অর্থকে প্রকাশ করে থাকে, যার অ্যাস্থেটিক ভ্যালু নতুননভাবে দেখা দেয় ছবির ক্ষেত্র বিশেষে।
ইমেজ মেকিংয়ের গোড়ার কথা
তাই ছবিকে হয়ে উঠতে হবে সৌন্দর্য বেদনের যুগপদ ফসল স্বরূপ। ইমেজ মেকিংসেখানে ছবির মুখ্যত সঞ্চালিকা শক্তি না হয়ে যদি সামগ্রিক প্রকাশ ভঙ্গিমাকে অনুধাবন করা যায় তাহলে ছবির
রস বোধ উত্তীর্ণ হয় নতুন মাত্রায়। কান্টিয় তত্ত্বের রেশ ধরে রেখেই ছবিকে সেখানে ভাগ করা যায় দুটি অংশে এক হলো ছবির স্বরূপ বা form দুই তার বস্তুতা বা quality। ইমেজ মেকিংয়ের গড়ায় রয়েছে এই দুই পন্থাকে উপভোগ করে তাকে আত্তীকরণ করার সদিচ্ছা। আর এরজন্যই দরকার নিরবিছিন্ন ছবির ইতিহাসের মোড়কগুলোকে উদঘাটন করা, তার চর্চা করা এবং ছবির ইতিহাসকে আত্মস্থ করা।
No comments:
Post a Comment