Wednesday, October 5, 2016

সুজাতা ( a curling TILOTTAMA...)

সুজাতা


ঘুরতে ঘুরতে সুজাতা এসে দাঁড়িয়েছে
রোম নগরীর ঘনিষ্ট কুঁড়ে ঘরে
ঘোড়ার রেসে বাজি ধরতো এক সময় সুজাতা
প্রতিদিন পাইনের সমগোত্রীয় ঋতুকাল আঁকড়ে
বাজী ধরতো সুজাতা আর
রেডিস খসড়াটা আমার দিকে ছুঁড়ে দিতো


আমি ভাবতাম সবচাইতে দাপুটে ঘোড়াটাই
আমার প্রাপ্য
রোমে্র কথা ভাবতাম আর ছুটতাম
ঘোড়ার রেসের বাইরেওবাতাসে সোঁ সোঁ শব্দ তুলে


ইস্তাহারে রাতের মহরতের কথা বলা ছিলো
টবের মাটিতে একটা গাছ রাখা মাথার কাছে
গোঁসাই  ঠাকুর  রাতের বেলা
সুজাতাকে আদর করতো  আর আভিবাদন বাক্য শেখাতো


আমার কেবল একটাই হাত
ল্যাসোর খেলা দেখাতাম অমনি পরিণত  মানুষমাফিক
আর ফাঁক পেলেই ঘোড়া ছুটিয়ে চম্পট

বিভ্রান্তির  মিউজিক্যাল  জাগলারি
এক হাতের লাগামে বিদায় কালীন দাপট
দেখেশুনে সুজাতা ভেবে নিয়েছিলো
ইস্তাহার বা আভিবাদন বাক্য আমি বাংলাতেই লিখব

পরির্ধিত অংশে খস্ খস্ শব্দ
হাতের গভীরে রাখা আছে আসম হাত
রোমের প্রোকনসালকে  দেখেছি  দেড়দিন ধরে পাহাড়া দিতে
গোঁসাই ঠাকুর তো উদাসীন বিভঙ্গে রাজপথে ঘুমন্ত

প্রোকনসাল জানেন সুজাতার মনমতো
পাইনবীজ দরকার
আর আমার চাই অনাবিস্কৃত ঘোড়াদের নাল


ইস্তাহার  তো  অনেকটা প্রশস্ত চওড়া হৃদয়ের করিডর

সর্বশ্রান্ত একটা পানপাত্র  মাঝরাতে  যেমতো  ন্যায় সঙ্গত

সীমানায় সহজিয়া ছড়ানো মদ
আনাহূত ছন্দের ঈশ্বর চেতনা
অন্তঃস্থলের হৃদয়ী জাদুকর

গভীরে গন্ধ ছড়ানো
ফুল আমার সতেজ অতি প্রিয়
প্রবাহের কাছে ভাসছি প্রস্তরীভূত  রংরুটে
সুজাতার চোখও প্রকট  ক্রমাগত

কালো একটা ঘোড়াকে  ডেসপারেটলি  ভালোবাসলে
                                                তা ইউনিকর্ণ হতে বাধ্য





No comments:

Post a Comment