তোমার শিকড়
আরো আরো গভীর ছুঁয়ে যাক
ঠিক মাটিকে
ঘষে ঘষে প্রদীপ বানাও
কবিতারা
উপাচারে এনে দিক মাঝরাত
এইভাবে
গাছের শিকড়
রাতের আকাশের
কাছাকাছি পাবে সন্ধ্যাতারা
তাকে তুমি
পাতা ভেবে জমা রাখবে না জানি
তাকে তুমি
কাক স্নান ভিজিয়ে দিয়েছো চৌরাস্তা
স্মৃতি
থেকে মুছেই গিয়েছে ঋতুস্রাবে কি কি হ্য়
সারা দিনরাত
মশারির ভিতর থাকি
যতক্ষণ
মশারির আনাচে-কানাচে-শিয়রে আষাঢ়
নিজেকে
আঁশটে লাগে না
মা বলে
বলে হদ্য হয়ে যাচ্ছে মশারি গোটা
বালিশ ভাঁজ
করে রাখ
রাক্ষুসে
পুনশ্চ নিয়ে মাকে শুধরে দিই
গলা টিপে
ধরে বলি, এইসকল সয়ে নেবো
সব ভুলে
বীজ আঁকো, পরাগে লাগুক সুবাতাস
ঈহিনী তুমি
বেশী করে জাপটে নিও ঘরকে তোমার
অভিশাপ
এসে স্থাণুবৎ আটকে ধরুক মরা দু’পা
ভাঙনের
ডাকনামে সাড়া দিক চক্রায়ূধ কোটিবন্ধ
ঠোঁটে দাঁত
গেঁথে গড়িয়ে নামছে রক্তের ক্ষিপ্যমাণ
পাথরের
শরীর থেকে লার্ভাশুয়োর আলিঙ্গন
তুলে আনছি,
তুলে আনছি নিশ্চুপ প্রার্থনা
শুধুতো
শুধুই-তো মাত্র শব্দ কয়টা
No comments:
Post a Comment