আঁকছি তোর
বক্র রেখায় কিছু প্রিয়দর্শী বোমারু মগ্নবাস
প্রতি মুহূর্ত যেন হয়ে ওঠা না মেলা সূত্রের সংখ্যালঘু
অচেনা ক্রমশ
চাপিয়ে দিচ্ছি বৌদ্ধ নিনাদ
ফাগুয়া
এখন বিষাদের দিকে পাড়ি জমাচ্ছে
আর ভাঙছি
অস্ফুট! কি বেগতিগ ভারাক্রান্ত
হাঁটু উঠে
আসতেই বিভেদের অলিখিত ক্ষণ ধরা দিল
প্রতি স্তর খুলে খুলে নিজেকেই এবার শাপ শাপান্ত
কেটে খাচ্ছি
নিজের ছায়ার চৌকো শংসাপত্র
আহা! সেই
তো নিয়মমাফিক গুড়িয়ে দেওয়া পুনরুদ্ধার
ধর্মের
কথায় সুচারু হাসছে বুদ্ধ অনবরত
ওদিকে অ্যাবডোমেনের
ঘষামাজায় তীক্ষ্ণ ধূপের গন্ধ
শুধু মায়ের
মুখই মনে আসে চোখ বুজলে
আর প্রতিসরণ
যোগ্য রুক্ষ রেটিনা
প্যারাসুট
ভেদ করে ক্রমশ প্রশ্নোত্তরের সাড়ম্বর
মুছে রাখা
সিঁড়িদের যৌথ রেখা
প্রতিটা
ধাপ যেখানে অগত্যা পারস্পরিক তাকাবে
মোম জ্বালিয়ে
আঁধার আঙুলকে শিখিয়েছিস সৌন্দর্যরাশি
আসলে ধর্মের
বাইরে তো এ পৃথিবী কক্ষণো যেতে পারবে না
মিশ্র পাহাড়টা
অপদার্থ ফল্গুর মতো বন্ধুসুলভ
আপ্রাণ
চুম্বন আঁকছে কৌশলহীন, ফ্লোরাল প্রিন্টের উপশিরায়
মায়ের মুখের
পাশে ছড়িয়ে যাক জেহাদী অর্কিড ও যাদুবিচ্ছুরণ।
No comments:
Post a Comment