১।
একটু
পরে
ধীরে
ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে
রাতের
অতলে
আমার
গল্পের নৌকারা
দুলছে
ডাঙ্গায় মাঠের গভীরে
ধূসর
কালো যেসব মেঘ
বহুদূর
বিশ্রামে তোর কাঁধ খোঁজে
পালকের
পিঠ আসন্ন
ব্যাথার
ঋজুতে ক্রমাগত
সূর্যের
আঁচ লেগে থাকা
এসব
উষ্ণ অভিমানী চাপধরা
আড়ালে
দাঁড়িয়ে বুকে সীমাহীন
শান্ত
মুখ গুজে কেঁদে চলা
তোর
এইটুকু ঠিক কতটা সময় পাড় করে
২।
ঘরে
পাতা নেই কোনো
ঘর
বন্ধ উত্তাপে ছাইদান ঘরের ভিতরে
পাখীদের
মত নিজেকে
সাজানো
ভূমিকার রাগ ছুঁয়ে
নির্মোহ
ছায়া যে বৃত্ত তাকে ডুবে তুলে আনি আঘ্রাণে
আমাদের
শারিরীক জ্যামিতির
কোনো
ব্যাসার্ধ পড়ে নেই
ক্লান্ত
আকাশ পেড়িয়ে
এ স্থান
আকাশের উর্ধে
পরবর্তী
ক্রমশ তারায় প্রকট
প্রতিবার
এইভাবে উড়ে এসে
বসতির
বিন্দু বিন্দু জাল গড়ে তলে।
৩।
অনেক
আজান পেরিয়ে রূপোলী
সরল
রেখায় হলুদের টান
সমবেত
ভোরের আলো
কিছুটা
ম্লান গলির স্তব্ধ বারবেলা
উঠোনে
ছড়ানো শেষ বিকেলের
খুঁটে
খাওয়া রোদ্দুর ছায়া-গন্ধ-মাখা
এদেহে
ছড়ালো আদরের রক্ত
সোজাসুজি
চোখ জলন্ত উদাস
উদাস
হিমেল হাওয়া
পশমে
ডোরাকাটা অন্তর ভাঁজ করা
এখানে
গাছ কোলাহলের পাখী মুলুক
দীর্ঘ
দীর্ঘ রেখা প্রেমেদের একা
ছায়ার
গন্ধ কোটরে জমানো নীরব-মুক্ত-মালা।
৪।
নীরবে
আগুন ঢেলেছি কাঁপা
বিগত
মোলাকাত পৃথিবীর বুকে
নতজানু
জোছনার গভীরে ছুটে চলা
আকুল
উড়ছে বিভোর বিগত
উদ্দাম
ঝাউয়ের ক্লান্ত বিষাদ
সহজাত
ডুবে যাওয়া
এখানেই
একাকী মেশানো
সবুজের
মোলায়েম স্বচ্ছ চাদর
ঘাসের
শায়িত অকপট দেহ ছায়া
৫।
চুমুতে
ঠোঁট নেই কোনো
কাঁপছে
শুধু বাঁকা প্রশ্বাস
হালকা
আবেশে হাতছানি
অসহ্য
মত্যু প্রবাহ
তরল
শায়িত
নিদারুণ
ঘুম গাছের শরীরে
নাভিগন্ধ
চিহ্ন নিজস্ব পুড়ে যাওয়া
এ হোমে
আকন্ঠ উদারতা
পুড়ে
পুড়ে সমারোহ
অলঙ্কারের
নিহত উত্তাপ
ক্লান্তিহীন
পাখীদের প্রকাশিত উড়ে যাওয়া
৬।
আমাদের
তন্দ্রাহত কালো ভৈরব
হাওয়ার
পাশে দামাল
ছুটছে
দিন এই আহত
তোর
হাতের লিপ্ত নাখর
এ ওষ্ঠ
ছাতিম স্তব্ধ বেপরোয়া
লাল
ফুলে হৃদয় রেখেছি
আটকে
পড়া বাঁকানো যানজটে
ধোঁয়ার
কালো হে ভৈরব
নখের
আঁচড়ে আহত উঠছি জেগে।
No comments:
Post a Comment